Breaking News

বালি পুরসভাকে আবার স্বীকৃতি দেবার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য মন্ত্রিসভা

The state cabinet decided to recognize Bali municipality again

ইস্টার্ন টাইমস , কলকাতা: স্বীকৃতি ফিরে পেলো বালি পুরসভা । স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে বালি পুরসভাকে আবার স্বীকৃতি দেবার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য মন্ত্রিসভা। বৃহস্পতিবার নবান্নে ক্যাবিনেট বৈঠকের সিদ্ধান্তে মুখ্যমন্ত্রীর সিলমোহর পড়েছে বলে খবর। এ বিষয়ে বিধানসভায় বিল আনা হবে বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আবারও পৃথক পুরসভা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বালি। প্রসঙ্গত, আগে বালি পুরসভা আলাদাই ছিল। তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর বালি পুরসভাকে হাওড়া পুরনিগমের সঙ্গে যুক্ত করে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ হাওড়া পুরনিগমের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার পর অনেক ক্ষেত্রেই বাসিন্দারা সমস্যায় পড়েন। তাঁদের ছুটে যেতে হচ্ছিল হাওড়া ময়দানে পুর নিগমের কেন্দ্রীয় অফিসে। দূরত্বের জন্য যানবাহনের সমস্যায় ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছিলেন তাঁরা। সেই ভোগান্তি থেকে আবার মুক্তি।

গত শুক্রবারই রাজ্য সরকারের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর থেকে নবান্নর অর্থ দপ্তরে বালি পুরসভার অনুমোদনের জন্য ফাইল পাঠানো হয়। আগে বালি পুরসভায় ৩৫টি ওয়ার্ড ছিল।

হাওড়া পুর নিগমের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার পর বালিতে ওয়ার্ড সংখ্যা দাঁড়ায় ১৬টি। ফের বালি আলাদা একটি পুরসভা হলে আগের মতোই ওয়ার্ড সংখ্যা বাড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। এতে স্থানীয় ভাবে কাজের সুবিধা বাড়বে।

বাম জমানায় ১৮৮৩ সালে প্রথম বালি পুরসভা গঠিত হয়। ২০১৫ সালে শুধুমাত্র রাজনৈতিক স্বার্থে বালি পুরসভাকে হাওড়া পুর নিগমের সঙ্গে যুক্ত করে দেয় তৃণমূল কংগ্রেস সরকার।

বালিকে সংযুক্ত করে হাওড়ায় মোট ৬৬টি ওয়ার্ড হয়।

বালি পুরসভা, হাওড়া পুরনিগমের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার পর কোনও বরো অফিস ছিল না বালিতে। ফলে অনেক ছোটখাটো সমস্যাতেও বাসিন্দাদের ছুটে আসতে হত হাওড়া পুরনিগমে। বালি পুরসভা ফের পৃথকরূপে আত্মপ্রকাশ করলে নাগরিকদের অনেককেই সুবিধা হবে।

Vinkmag ad

Eastern Times

Read Previous

মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ জারি করলো কলকাতা হাইকোর্ট

Read Next

রাজ্য সরকারের ‘দুয়ারে সরকার’ প্রকল্পের মেয়াদ আরও ১২দিন বাড়ানো হলো

Leave a comment

You have successfully subscribed to the newsletter

There was an error while trying to send your request. Please try again.

easterntimes will use the information you provide on this form to be in touch with you and to provide updates and marketing.