Breaking News

বাংলাদেশে ৯ মাসে ৯৭৫ জন নারী ধর্ষণের শিকার ঢাকায় ধর্ষণবিরোধী মিছিলে পুলিশের বাধা-লাঠিচার্জ

Police barricade anti-rape procession in Dhaka

Police barricade anti-rape procession in Dhaka

বিশেষ সংবাদদাতা ,ঢাকা: বাংলাদেশ একের পর এক ধর্ষণ-নিপীড়নের বিচার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দপ্তর অভিমুখে কালো পতাকা মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে। মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে জড়ো হয়ে ‘ধর্ষণ ও নিপীড়নবিরোধী ছাত্র-জনতা’র ব্যানারে বিক্ষোভ শুরু করেন ছাত্র ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা। প্রগতিশীল বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মী, লেখক, কবি, শিল্পী, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও নারী অধিকারকর্মীরাও তাতে যোগ দেন।

শাহবাগ মোড় থেকে কালো পতাকা মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকা ঘুরে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর অভিমুখে যাত্রা করলে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে পুলিশ তাদের আটকে দেয়। এ সময় পুলিশের সাথে মিছিলকারীদের হাতাহাতি হয়।

পরে পুলিশ লাঠিপেটা শুরু করলে ছাত্র ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হন। পরে মিছিলকারীরা সেখানেই অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় তারা ধর্ষক ও নিপীড়কদের শাস্তির পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের পদত্যাগের দাবি জানান।

‘ফাঁসি ফাঁসি চাই, ধর্ষকের ফাঁসি চাই, ‘ধর্ষকের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, ‘যে রাষ্ট্র ধর্ষণ পোষে, সেই রাষ্ট্র চাই না’, আমার বোনকে ধর্ষণ কেন, প্রশাসন জবাব চাই, ‘নিপীড়ক যেখানে, লড়াই হবে সেখানে’- ইত্যাদি স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে ওই এলাকা।পরে সন্ধ্যায় শাহবাগে মশাল মিছিল এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা দাহ করার কর্মসূচি ঘোষণা করেন ছাত্র ইউনিয়নের নেতারা।

ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনীক রায় বলেন, ‘আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পুলিশ আটকে দিয়েছে, নেতাকর্মীদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলা চালিয়েছে। পুলিশ ধর্ষকদের গ্রেপ্তার না করে আন্দোলনকারীদের উপর ন্যক্কারজনক হামলা চালিয়েছে।

লাঠিপেটার বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপ কমিশনার সাজ্জাদুর রহমান ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের বলেন, “রাস্তায় বিশৃঙ্খলা এড়াতে আমাদের পুলিশ শাহবাগ শাকুরা পয়েন্টে ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছিল। আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেডের তালা ভেঙে পুলিশের উপর চড়াও হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের মাঝে সংঘর্ষ হয়েছে।”

প্রসঙ্গত, গত ৯ মাসে বাংলাদেশে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৯৭৫ জন নারী। এর মধ্যে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ২০৮ জন নারী। এছাড়া ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছেন ৪৩ জন হতভাগা নারী। আর আত্মহত্যা করেছেন ১২ জন নারী।

বাংলাদেশের বেসরকারি মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র জানায়, গত ৯ মাসে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন ১৬১ নারী। এর মধ্যে যৌন হয়রানরি কারণে ১২ নারী আত্মহত্যা করেছেন। আর যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করতে গিয়ে ৩ নারী এবং ৯ পুরুষ নিহত হয়েছেন।

Vinkmag ad

Eastern Times

Read Previous

বাংলাদেশের মসজিদে দৈনিক ৫ বার নামাজ আদায় করেন ভারতের মানুষ

Read Next

সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে কেউ টাকা চাইলে সোজা থানায় যান ,পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রীর

Leave a comment

You have successfully subscribed to the newsletter

There was an error while trying to send your request. Please try again.

easterntimes will use the information you provide on this form to be in touch with you and to provide updates and marketing.