Breaking News

ক্রমশ বেড়েই চলেছে কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিবাদ ,কপিল সিবালের পর মুখ খুললেন পি চিদাম্বরম

ইস্টার্ন টাইমস , নয়াদিল্লি: কংগ্রেসের আভ্যন্তরীন বাকযুদ্ধ বন্ধ হবার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছেনা।বরং তা ক্রমশ বেড়েই চলেছে।বিহার নির্বাচনের ফল প্রকাশিত হবার পরেই দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন।

এবার কপিল সিবলের পর দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তোপ দেগে মুখ খুললেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরম।বিহারে লজ্জাজনক ফলাফলের পর দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্ব ক্রমশ প্রকট হয়ে উঠছে।প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, রাজনীতির ময়দানে কংগ্রেস হয় সাংগঠনিক ভিত্তি হারিয়েছে, নয় ভীষণ দুর্বল হয়ে পড়েছে!‌ দু’‌দিন আগেই সিবল বলেছিলেন, ‘‌অন্তর্তদন্তের সময় শেষ।

‌সংগঠনের প্রতিটি স্তরে বদল প্রয়োজন। এমন নেতাদের সামনে নিয়ে আসা জরুরি, যাঁদের কথা লোকে শুনতে চায়। এমন একজন চিন্তক নেতার প্রয়োজন, যিনি দলীয় সংস্কারের জন্য বড় ঝুঁকি নিতেও রাজি।

কংগ্রেসের পুনরুত্থানের জন্য দলের দায়িত্বভার এমন একজনের হাতে তুলে দেওয়া প্রয়োজন, যিনি অভিজ্ঞ এবং বাস্তব রাজনীতি সম্পর্কে সচেতন।’‌

তবে কপিল সিবাল বা চিদাম্বরমের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা শোনা গেছে কংগ্রেসেরই অন্য নেতাদের মুখে।লোকসভার কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী সিবালকে কটাক্ষ করে বলেছেন ,”কোনও কিছু না করেই আত্মবিশ্লেষণের কথা বলার কোনও মূল্য নেই।এর আগেও কপিল সিব্বল এই ধরণের কথা বলেছেন। উনি কংগ্রেস সম্পর্কে খুবই উদ্বিগ্ন বলে মনে হয়েছে।

আত্মবিশ্লেষণ চাইছেন তিনি। কিন্তু, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ কিংবা গুজরাটের ভোটে ওঁর মুখটা কেউ দেখতে পায়নি।”

একা অধীর চৌধুরী নয়, কপিল সিবালের সমালোচনা করেছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ও বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা অশোক গেহলট। গেহলট এদিন টুইট করে বলেছেন , “দলের অভ্যন্তরীণ ইস্যুকে মিডিয়ার সামনে প্রকাশ করার কোনও মানে হয় না।

গোটা দেশের দলীয় কর্মীদের আবেগকে আঘাত করা হয়েছে। ১৯৬৯, ১৯৭৭, ১৯৮৯ এবং পরে ১৯৯৬ সালেও কংগ্রেসে ডামাডোল তৈরি হয়েছিল।

কিন্তু প্রত্যেকবার শক্তিশালী হয়ে সমস্যা ঝেড়ে ফেলে এগিয়ে গিয়েছে দল। দলীয় নেতৃত্ব, আদর্শ এবং কর্মসূচির উপর বিশ্বাস রাখি আমরা।”

পি চিদাম্বরম এদিন বলেছেন,‌”‌গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ এবং কর্নাটকে উপনির্বাচনের ফলাফল দেখে আরও বেশি উদ্বিগ্ন আমি।”‌ অতিমারী সঙ্কট এবং অর্থনৈতিক মন্দার দিনেও মানুষ কংগ্রেসকে ভরসা করতে পারছে না ভেবে চিন্তিত প্রবীণ কংগ্রেস নেতা। বলেন, ‘‌বিহারে মহাজোটের জেতার অনেক সম্ভাবনা ছিল। কেন হারলাম, তা নিয়ে দলের অন্দরে তদন্ত প্রয়োজন।

ভুলে গেলে চলবে না, কয়েকদিন আগেও মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, ছত্তিশগড় এবং ঝাড়খণ্ড জিতেছিল কংগ্রেস।

একেবারে তৃণমূল স্তর থেকে সংগঠনে জোর দিলে যে জেতা যায়, বিহারে তাই প্রমাণ করে দিল সিপিআই(এমএল) এবং মিমের মতো ছোটদলগুলি।

বিহারে অনেক বেশি আসনে লড়েছে কংগ্রেস। ২৫টা এরকম আসন যেখানে গত বিশ বছর ধরে বিজেপি কিংবা তাদের শরিকেরা জিতে আসছে। ওই আসনে লড়াই উচিত হয়নি কংগ্রেস। ৪৫টি আসনই যথেষ্ট ছিল।”

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন ,এভাবে বাকযুদ্ধ চলতে থাকলে আসন্ন তামিলনাড়ু, কেরল, পুডুচেরি, বাংলা এবং অসমের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসকে বড় ধাক্কা খেতে হবে।

Vinkmag ad

Eastern Times

Read Previous

বৃহস্পতিবার শুভেন্দু অধিকারীর শক্তি প্রদর্শন রামনগরে

Read Next

টেলিফোন বার্তালাপ মোদী — বাইডেন-এর

Leave a comment

You have successfully subscribed to the newsletter

There was an error while trying to send your request. Please try again.

easterntimes will use the information you provide on this form to be in touch with you and to provide updates and marketing.