Breaking News

শারদ উৎসব কে কেন্দ্র করে ধর্মীয় সম্প্রীতির অনন্য নজির অভয়নগরের মোল্লাপাড়া

অপূর্ব দে ,আগরতলা: দেশজুড়ে হিন্দু-মুসলমান ধর্মের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির নানা পায়তারা কষার সামনে এক অনন্য নজির আগরতলার ভাটি অভয়নগরের মোল্লাপাড়া| এখানকার তুলারমাঠে এবারও ঘটা করে দুর্গাপুজো হয়েছে| যদিও করোনার জন্য আশানুরূপ আয়োজন করা যায়নি বলে জানিয়েছেন পুজো কমিটির সভাপতি রহিদ মিয়া|

গত উনিশ বছর ধরে এখানে ধর্মের সংকীর্ণতার উর্দ্ধে উঠে পুজো-ঈদ সবকিছু হয়ে থাকে| ধর্মের গণ্ডির বাইরে গিয়ে মানবতার উচ্চকিত জয়গাথা রচিত হয় এখানে|

গত তিন বছর ধরে রহিদ মিয়া পূজা কমিটির সভাপতি| এলাকার মানুষ মিলেই তাকে এই দায়িত্ব দিয়েছেন| এলাকায় বেশিরভাগ মানুষই রিক্সা চালক, কাজের মাসি, দিন মজুর থেকে শুরু করে সমাজের তথাকথিত সেই প্রান্তিক অংশের মানুষ|

এদের সামনে ধর্মীয় কুটকচালি সম্পূর্ণ অর্থহীন ষড়যন্ত্র| আর সেজন্যই পুজোর আয়োজনে যেমন হিন্দু আর মুসলমান ভাইরা একসঙ্গে শামিল হন, তেমনি পুজোর আনন্দেও ধর্ম নির্বিশেষে উদ্বেল হয়ে উঠেন|

গ্রামের এই তুলারমাঠেই ঈদের অনুষ্ঠান হয়| যেখানে হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে আনন্দে যোগ দেন| তার আগে থেকে অর্থাত রোজার সময় থেকে ঈদের অনুষ্ঠান শেষ হওয়া পর্যন্ত দুই ধর্মের মানুষ প্রয়োজনীয় সমস্ত আয়োজন করেন|

শুধু তাই নয়, বিয়ে থেকে শুরু করে শেষকৃত্য পর্যন্ত, এই গ্রামের সবার বাড়িতে সবার উন্মুক্ত দ্বার| বিয়েতে যেমন ধর্ম-নির্বিশেষে সবাই যোগ দিয়ে আনন্দ করে, একসঙ্গে বসে ভোজ খায়| তেমনি মৃত্যুর পরেও কবর হোক বা দাহ করাই হোক, দুই ধর্মের মানুষই একসংগে এগিয়ে আসেন|

গ্রামবাসী তাদের নতুন প্রজন্মকেও ধর্মীয় বিভেদের উর্দ্ধে উঠে গিয়ে মানবতার চেতনায় জারিত করেন| রহিদ মিয়া আর সমস্ত গ্রামবাসী তাদের গ্রামের এই রূপ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই গর্ব করেন|

যে রূপ সমস্ত তৈরি করা সংস্কারের উর্দ্ধে উঠে গিয়ে মানবতার জয়গান করে| দেশের সামনে যে জয়গাথা এক ভিন্ন অথচ সুন্দর চেতনা নিয়ে আসে| যা আমাদের ভারতের আত্মিক চেতনা ||আগরতলা: দেশজুড়ে হিন্দু-মুসলমান ধর্মের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির নানা পায়তারা কষার সামনে এক অনন্য নজির আগরতলার ভাটি অভয়নগরের মোল্লাপাড়া| এখানকার তুলারমাঠে এবারও ঘটা করে দুর্গাপুজো হয়েছে| যদিও করোনার জন্য আশানুরূপ আয়োজন করা যায়নি বলে জানিয়েছেন পুজো কমিটির সভাপতি রহিদ মিয়া|

গত উনিশ বছর ধরে এখানে ধর্মের সংকীর্ণতার উর্দ্ধে উঠে পুজো-ঈদ সবকিছু হয়ে থাকে| ধর্মের গণ্ডির বাইরে গিয়ে মানবতার উচ্চকিত জয়গাথা রচিত হয় এখানে|

গত তিন বছর ধরে রহিদ মিয়া পূজা কমিটির সভাপতি| এলাকার মানুষ মিলেই তাকে এই দায়িত্ব দিয়েছেন|
এলাকায় বেশিরভাগ মানুষই রিক্সা চালক, কাজের মাসি, দিন মজুর থেকে শুরু করে সমাজের তথাকথিত সেই প্রান্তিক অংশের মানুষ|

এদের সামনে ধর্মীয় কুটকচালি সম্পূর্ণ অর্থহীন ষড়যন্ত্র| আর সেজন্যই পুজোর আয়োজনে যেমন হিন্দু আর মুসলমান ভাইরা একসঙ্গে শামিল হন, তেমনি পুজোর আনন্দেও ধর্ম নির্বিশেষে উদ্বেল হয়ে উঠেন|

গ্রামের এই তুলারমাঠেই ঈদের অনুষ্ঠান হয়| যেখানে হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে আনন্দে যোগ দেন| তার আগে থেকে অর্থাত রোজার সময় থেকে ঈদের অনুষ্ঠান শেষ হওয়া পর্যন্ত দুই ধর্মের মানুষ প্রয়োজনীয় সমস্ত আয়োজন করেন|

শুধু তাই নয়, বিয়ে থেকে শুরু করে শেষকৃত্য পর্যন্ত, এই গ্রামের সবার বাড়িতে সবার উন্মুক্ত দ্বার| বিয়েতে যেমন ধর্ম-নির্বিশেষে সবাই যোগ দিয়ে আনন্দ করে, একসঙ্গে বসে ভোজ খায়| তেমনি মৃত্যুর পরেও কবর হোক বা দাহ করাই হোক, দুই ধর্মের মানুষই একসংগে এগিয়ে আসেন|

গ্রামবাসী তাদের নতুন প্রজন্মকেও ধর্মীয় বিভেদের উর্দ্ধে উঠে গিয়ে মানবতার চেতনায় জারিত করেন| রহিদ মিয়া আর সমস্ত গ্রামবাসী তাদের গ্রামের এই রূপ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই গর্ব করেন| যে রূপ সমস্ত তৈরি করা সংস্কারের উর্দ্ধে উঠে গিয়ে মানবতার জয়গান করে| দেশের সামনে যে জয়গাথা এক ভিন্ন অথচ সুন্দর চেতনা নিয়ে আসে| যা আমাদের ভারতের আত্মিক চেতনা ||

Vinkmag ad

Eastern Times

Read Previous

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে বাংলাদেশে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, মৃতদেহে আগুন

Read Next

তরুণী লোকশিল্পীর উপর যৌন নিগ্রহের ঘটনা : উত্তাল ত্রিপুরা

Leave a comment

You have successfully subscribed to the newsletter

There was an error while trying to send your request. Please try again.

easterntimes will use the information you provide on this form to be in touch with you and to provide updates and marketing.