Breaking News

লোকাল ট্রেন চালানোর নিয়মবিধি ও টাইম টেবিল তৈরী করতে বৈঠক বুধ ও বৃহস্পতিবার

ইস্টার্ন টাইমস ,কলকাতা: লোকাল ট্রেন চালানোর প্রস্তুতি হিসাবে বুধবার রেলকর্তাসের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব। হাওড়া ও শিয়ালদাহ মিলিয়ে কলকাতায় স্বাভাবিক সময়ে লোকাল ট্রেনের দৈনিক যাত্রী-সংখ্যা প্রায় ৩৫ লক্ষের মতো। শিয়ালদার সব শাখা মিলিয়ে মোট স্টেশনের সংখ্যা ২০৩। আর আরপিএফ পোস্ট ২০টি। জিআরপি থানা ১৪টি।

হাওড়া ডিভিশনে লোকাল স্টেশনের সংখ্যা ১৯৩টি। আর আরপিএফ পোস্ট ২১ টি এবং জিআরপি থানা ১৩টি।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই লোকবল ও পরিকাঠামো নিয়ে ভিড় কীভাবে সামাল দেওয়া যাবে?

রাজ্য সরকার চায় সকাল-সন্ধ্যে শিয়ালদা ও হাওড়া মিলিয়ে লোকাল ট্রেন চালানো হোক ২১০টি। রেলের তরফে একই মত পোষণ করা হয়েছে।

রেল সূত্রে দাবি, ভিড় ঠেকাতে স্টেশনের সব টিকিট কাউন্টার খোলা রাখা হতে পারে। পাশাপাশি ই-টিকিট পরিষেবাও চালু করা হবে।এই সব বিষয়গুলি বিচার বিবেচনা করতেই রেলকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন স্বরাষ্ট্রসচিব। লোকাল ট্রেনের সময়সূচি নিয়ে বৈঠক হবে বৃহস্পতিবার।

উল্লেখ্য ,আগেই কোন স্টেশনে কতটা যাত্রীদের চাপ ছিল, তা নিয়ে একটি সমীক্ষা করা হয়েছিল।

সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই স্টেশনগুলির গুরুত্ব নির্ধারণ করা হবে বলে রেল সূত্রে খবর।

সেই হিসেব অনুযায়ী, লোকাল ট্রেনের একটি সম্ভাব্য টাইম টেবিলও তৈরি করা হবে।রেলকর্মীদের জন্য নির্ধারিত স্টাফ স্পেশালেই যাত্রীরা যেভাবে হুড়মুড়িয়ে উঠছেন, বা ওঠার জন্য রেল লাইন বা রাস্তা অবরোধ করছেন সেই ছবি গত কয়েকদিনে উঠে এসেছে সংবাদমাধ্যমে।

এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে, লোকাল ট্রেনের সংখ্যা কম হলে ভিড় নিয়ন্ত্রণ বা সামাজিক দূরত্ব বৃদ্ধি বজায় রাখা যাবে কোন কৌশলে? অনেকেই মনে করছেন, ট্রেনে ভিড় কমাতে প্রতি কামরার একটি করে দরজা খোলা রাখা উচিত।

তবে প্রশ্ন আরও আছে। লোকাল ট্রেনে শুরু থেকেই যদি সব আসন ভর্তি হয়ে আসে, পরের স্টেশনের যাত্রীরা সে ক্ষেত্রে ওঠার সুযোগ পাবেন কী করে? মঙ্গলবার রেলকে একটি নোট পাঠিয়ে স্বরাষ্ট্রসচিব জানিয়েছেন, রাজ্য সবরকম সহযোগিতা করবে। আরপিএফ, জিআরপি এবং রাজ্য পুলিশের মধ্যে স্টেশন ভাগ করে দায়িত্ব দিয়ে কি ভিড় নিয়ন্ত্রণ সম্ভব? তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

Vinkmag ad

Eastern Times

Read Previous

হু ইজ বিমল গুরুং ? গুরুং চ্যাপ্টার ইজ ক্লোজ ‘

Read Next

শেখ হাসিনা সরকার দানবের মতো মুক্তিযুদ্ধের অর্জনকে ধ্বংস করে দিচ্ছে, অভিযোগ মির্জার

Leave a comment

You have successfully subscribed to the newsletter

There was an error while trying to send your request. Please try again.

easterntimes will use the information you provide on this form to be in touch with you and to provide updates and marketing.