Breaking News

রিয়াং শরণার্থীদের পুনর্বাসন নিয়ে অগ্নিগর্ভ উত্তর ত্রিপুরা ,জনতা -পুলিশ সংঘর্ষে মৃত ২,আহত ১৯

অপূর্ব দে , আগরতলা: উত্তর ত্রিপুরা জেলার কাঞ্চনপুরে রিয়াং শরণার্থীদের পুনর্বাসন দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বনধ চলাকালীন বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সঘর্ষে ২জনের মৃত্যু হয়েছে।

পুলিশের গুলিতে একজন প্রতিবাদকারীর মৃত্যু হয়।উত্তেজিত জনতার আক্রমণে নিহত হন একজন দমকল কর্মী। দফায় দফায় সংঘর্ষে সরকারি তথ্য অনুযায়ী ১৯ জন আহত হয়েছে।

বেসরকারি মতে সংখ্যাটা ২৩জন।অনেকেই গুরুতরভাবে আহত।রিয়াং উপজাতির পুনর্বাসন ঘিরে কিছুদিন ধরেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছিলো।শুরু হয়েছিল অনির্দিষ্টকালের জন্য বনধ।

শনিবার সকালে পানিসাগরে জাতীয় সড়কে অবরোধকারীদের সঙ্গে পুলিশের খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়। পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি চালায় পুলিশ। শ্রীকান্ত দাস নামে বছর চল্লিশের এক আন্দোলনকারীর মৃত্যু হয়। আন্দোলনকারীদের ইটের আঘাতে মৃত্যু হয় একজন দমকল কর্মীর।

আহতদের মধ্যে আছেন স্থানীয় বাসিন্দা, ত্রিপুরা পুলিশ, দমকলের কর্মীরা।

উল্লেখ্য , ১৯৯৭ সালে মিজোরাম লাগোয়া মমিট, কোলাসিব, লুঙ্গলেই জেলায় পালিয়ে আসা ৩২ হাজারেরও বেশি রিয়াং পরিযায়ীদের ত্রিপুরায় পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ত্রিপুরা সরকার, মিজোরাম, কেন্দ্রীয় সরকার ও রিয়াং শরণার্থীদের মধ্যে চুক্তি অনুযায়ী কাঞ্চনপুরে এই পুনর্বাসনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।যা মানতে রাজি নয় কাঞ্চনপুরের অধিবাসীরা।

সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে নাগরিক সুরক্ষা মঞ্চ ও মিজো কনভেনশনের মতো কয়েকটি সংগঠন কাঞ্চনপুরে অনির্দিষ্টকালের জন্য বনধ ডেকেছিল।

এদিন পানিসাগরে ৮ নং জাতীয় সড়কে অবরোধ করা হয়। পুনর্বাসন ফর্মুলা বাতিল করার দাবি জানানো হয়।এদিন গুলিচালনা প্রসঙ্গে অতিরিক্ত ডিজিপি রাজীব সিং বলেন, আত্মরক্ষার্থে বাধ্য হয়ে গুলি চালায় পুলিশ।

তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা কর্মীদের থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল উত্তেজিত জনতা।

তিনি আরও জানিয়েছেন, এদিনের ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে, জখম হয়েছেন কমপক্ষে ৯ জন ত্রিপুরা পুলিশ ও দমকলের কর্মী। তাঁদের সকলকেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’

Vinkmag ad

Eastern Times

Read Previous

মাছ ধরছেন- সেলাই করছেন, শেখ হাসিনার ছবি ভাইরাল

Read Next

কেমন যাবে আপনার আজকের দিনটি : দৈনিক রাশিফল

Leave a comment

You have successfully subscribed to the newsletter

There was an error while trying to send your request. Please try again.

easterntimes will use the information you provide on this form to be in touch with you and to provide updates and marketing.